Posts

Showing posts from November, 2025

মেঘের ওপারে আলো। লেখক-Tahamina Akter পর্ব ৫

Image
--- মেঘ, দেখ! দেখ! আমি কাকে খুঁজে পেয়েছি? অবশেষে শ্যামাকন্যাকে খুঁজে পেয়েছি আমি। মাহরীন আলোর হাত টেনে নিয়ে যায় মেঘালয়ের সামনে। মেঘালয় প্রথমে স্তব্ধ হয়ে যায়। তারপর আলোর দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকায়। এবার আলোর মেঘালয়ের দৃষ্টি উপেক্ষা করতে মন চাইছে। কিন্তু, সেইরকম কোনো ব্যবস্থাই তো নেই। ইশশ কি লজ্জা! কি লজ্জা! তোমাকে ছোট চাচ্চু ডাকছে মা। আপাতত তুমি না হয় সেদিকেই যাও। মেঘালয় শান্তস্বরে বলল তার মাকে। মাহরীন যেন দোটানায় পরল। শ্যামাকন্যাকে রেখে যেতে মন চাইছে না। মেয়েটা যদি আবারও চলে যায়? পরক্ষণেই মাথায় একটা বুদ্ধি আসে। মাহরীন এবার আলোর দিকে ফিরে বলল, ও হচ্ছে আমার ছেলে মেঘালয় ইমতিয়াজ আহমেদ। সেদিন তোমার সঙ্গে ওরই ফোনকলে কথা হয়েছিল। তুমি একটু মেঘালয়ের সঙ্গে থাকো। আমি একটু আসছি। তুমি কিন্তু কোথাও যাবে না, মেয়ে? আলো এবার যেন আরেকটু মিইয়ে যায়। মেঘালয় কিছু বলতে চাইলে মাহরীন ইশারায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে বলে চলে গেল। মেঘালয় ফোস করে একটা শ্বাস ছেড়ে আলোকে উদ্দেশ্য করে বলল, তো মিস.মিথ্যাবতী, সেদিন আমার সঙ্গে মিথ্যা বললেন কেন? সত্যি বললে কি হতো? মেঘালয়ের মুখ থেকে "মিথ্যাবতী" নাম...

মেঘের ওপারে আলো । লেখক-Tahmina Akter । পর্ব ৪

Image
atOptions = { 'key' : 'c57a4081bf3e57375316c510535fbb35', 'format' : 'iframe', 'height' : 50, 'width' : 320, 'params' : {} }; /> এবার তুইও বিয়েটা সেরে ফেল, মেঘালয়। আমার থেকে যেহেতু তুই আধঘন্টার ছোট। সেহেতু তোর উচিত আমার বিয়ের আধঘন্টা পর বিয়ে করে ফেলা। কাব্যর ওপরে একটা বালিশ ছুঁড়ে দিলো মেঘালয়। কাব্য বালিশ ধরে ফেলল। তারপর হাসতে হাসতে আবারও মেঘালয়ের দিকে ছুঁড়ে দিলো। মেঘালয় বালিশটা ক্যাচ করে ধরে ফেলল। তারপর কোলের ওপর হাতদুটো রেখে বলল,  --- বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করার আগে মনে ছিল না তোমার? এখন কেন এসব বলছো ভাই?  --- বিয়ের মত একটা কঠিন সিদ্ধান্তের সময় এতকিছু মনে থাকে নাকি?  কাব্যের কথা শুনে মাহরীন এবং মেঘালয় দু'জনে হেসে ফেলল। কাব্য এবার মাহরীনের দিকে ফিরে বলল, --- মাশফি ভাইয়ের আসার ব্যাপারে কোনো কনফার্মেশন পেয়েছো মা?  --- আজ রাতের ফ্লাইটে আসবে। মাশফির বউয়ের নাকি শরীর ভালো ছিল না। তাই ফিরে আসতে দেরি হচ্ছে।  --- বাহানা সব। এত লো ক্লাস মেন্টালিটির মেয়ের চক্করে তোমার ছেলে পরল কি করে? বিয়ের পর নিজের শ্বশুরবাড়ি...

মেঘের ওপারে আলো লেখক-Tahmina Akhter। part no -03

Image
--- আলো? তুই ভরদুপুরে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?  আলো নিজের নাম শুনে পেছনে ফিরে তাকাল। তার বাবা ডাকছে তাকে। বাবাকে দেখে আলো স্বস্তি পেল যেন। পরক্ষনেই সেই যুবকের দিকে ফিরে বলল, --- যার নাম জানেন না তাকে এভাবে খুঁজে পাবেন না আপনি। হয়ত আমরা একই কলেজে পড়ি। কিন্তু জনে জনে গিয়ে তো আর কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারব না। গতকাল কেউ কারো সাহায্য করেছিল কিনা ?  ---- চেষ্টা করলে সবই সম্ভব! আপনি বুঝতে পারছেন না, আমি কেন তাকে খুঁজছি? আমার মায়ের... --- আলো?  বাবার ডাক শুনে আলো এবার মানুষটাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে দ্রুত এগিয়ে যায় ওর বাবার কাছে।  ---  ছেলেটা কে আলো? আফসার সাহেব আলোকে জিজ্ঞেস করলেন, --- আমি চিনি না বাবা। কারো খোঁজে চাইছেন? বাদ দাও এই ব্যাপার। বিশ টাকা আছে?  --- আছে। কি করবি? আলো ঘটনা খুলে বলল। আফসার সাহেব সবটা শুনে আলোর খালি পায়ের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। তারপর, আলোর হাত ধরে বললেন,   --- চল আমার সঙ্গে।  আলোকে সঙ্গে নিয়ে মুচির দোকানের দিকে এগিয়ে  গেলেন। মুচি আলোকে দেখে বিরক্তি নিয়ে বলল, --- ট্যাহা আনছো? --- এনেছে। কিন্তু, বিশ টাকার জন্য একটা ছে...

মেঘের ওপারে আলো। 2nd part ।লেখক - Tahmina Akter

Image
--- পাতিলে ভাত নেই কেন, আম্মা?  কথাখানি বলেই চুপ হয়ে গেছে আলো। সিতারা বেগম চোখ রাঙিয়ে বললেন,  -- ভাতের চালের কেজি কত জানিস? রোজ রোজ যে তোকে লোকজন দেখতে আসে, তাদের জন্য ফলফলাদি কিনতে কিনতে তোর বাপ শেষ হয়ে যাচ্ছে। চাল নেই ঘরে। বয়ামে কটা বিস্কুট আছে খেয়ে নে।  সিতারা বেগমের কথা শুনে আলোর পেটের খুদা যেন মরে গেল। দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। পাতিলটা রান্নাঘরে রেখে আসার সময় দেখল একটা প্লেটে ভাত আছে। এবার যেন আলো সম্পূর্ণ ভেঙে পরল। চোখের পানি আপনাআপনি চলে এলো। সিতারা যদি তার আপন মা হত তাহলে কি আজ মেয়েকে না খাইয়ে রাখতে পারত?  মুখের ওপর ওড়না চেপে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে গেল আলো। নিজের জন্য বরাদ্দ ঘরে গিয়ে চুপচাপ মেঝেতে পাতানো বিছানায় শুয়ে পরল সে। মাথার ওপর চরকির ন্যায় ঘুরছে ফ্যান। ফ্যাকাশে রঙা ছাঁদের দিকে তাকিয়ে রইল। চোখের কোল ঘেসে পানি বেয়ে তার বালিশ ভিজছে তখন।  কাঁদতে কাঁদতে আলো ক্ষুদার্ত অবস্থায় ঘুমিয়ে পরল। ক্লান্ত দেহ যেন বেমালুম পেটের খুদাকে ভুলে গেল।   সকালের মিষ্টি রোদে আলোর ঘুম ভাঙে। আড়মোড়া ভেঙে উঠে পরল। কোনোমতে ফ্রেশ হয়ে নিজেকে পরিপাটি করে তুলল। তারপর, তার মায়ের কাছ...

মেঘের ওপারে আলো লেখক- Tahmina Akhter

Image
আমার একটা স্ত'ন নেই হাসিব সাহেব। আমাকে বিয়ে করে ঠকে যাবেন আপনি। বেশ কয়েকবছর আগে সিস্ট হয়েছিলো। সিস্টের গ্রোথ নাকি ভালো ছিল না। ক্যান্সার ছিল বোধহয়! তাই ডাক্তার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্ত'ন কেটে বাদ দিতে হবে। নয়ত শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পরার শঙ্কা ছিল।  তারপর কেটে বাদ দিলো। আপনাকে বিয়ে করার পর হয়ত আপনার বাচ্চাকে আমি স্ত'নপান করাতে পারব না।  আমার কথা শুনে হাসিব সাহেব যেন চোখের পলক ফেলতে ভুলে গেলেন। আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বাকি কথাগুলো বলে ফেললাম,  ---- তার ওপর আমি দেখতে কালো। আপনার পাশে দাঁড়ালে আমাকে মানাবে না।  এখন সিদ্ধান্ত আপনার, আমাকে বিয়ে করবেন কিনা? কারণ, আপনাকে দেয়ার মত আহামরি কিছুই আমার মাঝে নেই।  ---- ক্যান্সার ভালো হয়েছে আপনার?  click   কাঁপতে কাঁপতে কথাগুলো বলল হাসিব সাহেব। আমি মুচকি হেসে হাসিব সাহেবকে জবাবে বললাম,  --- ভালো না হলে নিশ্চয়ই আপনার সামনে বসে থাকতাম না!  হাসিব সাহেব আমার সঙ্গে আর কোনো কথা বললেন না৷ উঠে চলে গেলেন ড্রইংরুমে৷ আমি ঘর থেকেই শুনতে পেলাম পাত্রপক্ষের লোকদের মাঝে চলা গুঞ্জন।  অবশ্য এমন গুঞ্জন প্রায়ই শুনি। ক...

SIR কিভাবে ফরম ফিলাপ করবেন।

Image
 SIR  নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না  এটা হলো SIR ফর্ম - 1. নং অংশ টি প্রত্যেককেই পূরণ করতে হবে। 2. নং অংশ টি যাদের নামে ফর্ম টা এসেছে 2025 ভোটার লিস্ট অনুযায়ী এবং 2002 এ ভোটার লিস্টে নাম আছে তারাই শুধু মাত্র পূরণ করবেন। 3. নং অংশ টি যাদের নামে ফর্ম টা এসেছে 2025 ভোটার লিস্ট অনুযায়ী কিন্তু 2002 এর ভোটার লিস্টে নাম নেই তারাই শুধু মাত্র পূরণ করবেন। বিঃদ্রঃ - যারা 2 নং অংশ টি পূরণ করবেন তাদের 3 নং অংশ পূরণ করার দরকার নেই। যারা 3 নং অংশ টি পূরণ করবেন তাদের 2 নং অংশ পূরণ করার দরকার নেই। কোনো কিছু সমস্যায় পড়লে আপনার বুথের BLO এর সাথে যোগাযোগ করুন। সাথে আরো কিছু কথা -  1. SIR ফর্ম BLO নিজে বাড়িতে গিয়ে দেবে।   2. বাড়িতে পরিবারের যেকোনো একজন উপস্থিত থাকলেই হবে।   3. ভোটার কার্ডের অরিজিনাল কপি রাখতে হবে।   4. অরিজিনাল না থাকলে জেরক্স কপি দিলেও চলবে।   5. BLO ফর্ম দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জমা নেবে না।   6. বুথ থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় জানিয়ে দেওয়া হবে ফর্ম জমার জন্য।   7. ফর্ম ফিলাপ বুথ মেম্বারদের পক্ষ থেকে ও করা হবে। ...